চীনের ক্রমাগত চাপে চ্যাপ্টা ভারত

0 14

ভারত সীমান্তে চীন নতুন করে ভারী অস্ত্র মোতায়েন শুরু করেছে। গতকাল রাতে চীন উক্ত এলাকায় লং রেঞ্জের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম, হুইটজার, মিসাইল সিস্টেম মোতায়েন করেছে। সেই সাথে বাড়ানো হয়েছে সেনা সংখ্যা। অন্যদিকে ভারতের জন্য মরার উপর অনেকটাই চেপে বসেছে চীন। পশ্চিমা দেশ গুলো মুখে বললেও বাস্তবে ভারতকে এখনো সাহায্য বা অন্যকোন দিক দিয়ে সাহায্য দূর সান্ত্বনা দেয়নি কোন দেশ। বিশেষ করে চীন যদি আসলেই হামলা করে বসে তবে ভারতের পশ্চিম সীমান্ত,কাশ্মীর সহ অনেক জাগায়া থেকে সেনা সরাতে হবে। যা চিন্তার ফেলেছে মোদি সরকারকে। একমাত্র আমেরিকা দুই দেশকে আলোচনার প্রস্তাব দিলে ভারত গ্রহণ করলেও চীন উল্টো আমেরিকাকে উক্ত বিষয় নিয়ে নাক না গলানোর হুমকি দেয়। বিশ্লেষকরা বলছেন বাস্তবে চীন সামরিক কোন কিছু সরায়নি উল্টো বাড়িয়েছে আর উক্ত এলাকায় আরও ৩ টি বিমানবন্দরে দ্রুত রানওয়ে তৈরি করছে। যা ভালো ইংগিত বহন করছে না আর দেশটির ভাবও বুঝা যাচ্ছেনা ফলে তারা যুদ্ধের পরিস্থিতি উড়িয়ে দিচ্ছেন না। আর হামলাটা প্রথম চীনই করবে এমন ধারণা তাদের। কারণ ভারত যুদ্ধ এড়াতে অনেক কিছুই করছে কিন্তু এতেও চীনের উস্কানিমূলক আচরণ কমেনি। কয়েকদিন আগে মস্কোতে হয়ে যাওয়া দুই দেশের কূটনৈতিক আলোচনায় অনেকটাই উস্কানীমূলক আচরণ করে চীন তাদের দাবি তারা এক বিন্দু ছাড় দেবেনা। কিন্তু এই মূহুর্তে ভারতের পক্ষে চীনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা সম্ভব নয় গতকালের রিপোর্ট অনুযায়ী ভারতের জিডিপি প্রবৃদ্ধি নেগেটিভ হয়ে মাইনাস ২৪ গিয়েছে যা একটি রেকর্ড। তাছাড়া বিশাল বাহিনী থাকলেও চীনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যেতে চায়না কোন পশ্চিমা দেশও তাদেরও দাবী আলোচনার মাধ্যমে কিভাবে সমস্যার সমাধান করা যায় সেইদিকে নজর দেওয়া। কিন্তু চীন ভারতের কোন কথাই শুনেছেনা। চীনকে চাপে রাখতে ইতিমধ্যে নানান ইকনমিক্স জিনিস হাতে নিয়েছে ভারত কিন্তু এতে হিতে বিপরীত হচ্ছে কারণ দেশটির বেশীর ভাগ শিল্পের কাচামালের জন্য চীন থেকে আসে। সেই সাথে বিশাল ইলেক্সট্রনিক্স বাজার চীনের দখলে যা পরিত্যাগ করাও সম্ভব না। এতে উল্টো বেকারত্ব বাড়বে এর সাথে যারা ভারতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তারা। 

 

বাস্তবে চীনের সাথে যুদ্ধ করার শক্তি ও অনান্য বিষয় গুলো এককভাবে ভারতের নেই। তার জন্য দরকার মিত্র শক্তিশালী দেশ গুলোর সরাসরি সাহায্য কিন্তু করোনাভাইরাস পরিস্থিতি ও অনান্য কারণে তারা কেবলমাত্র মুখের কথা ছাড়া বাস্তবে নেই। ভারত চীনকে চাপে রাখতে জাপান,অস্ট্রেলিয়ার সাথে যোগাযোগ বাড়িয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন ভারতকে চাপে রাখতে এটা চীনের একটা অনেক আগের পরিকল্পনার অংশমাত্র চীনের আচরণ দেখে মনে হচ্ছে না তারা তাড়াতাড়ি ভারতকে ছেড়ে দিবে। আর উক্ত সময়ে পশ্চিমা দেশ গুলোও তাদ্রর নিজস্ব বিষয় নিয়ে পরে থাকায় চীন আরও সাহস পেয়েছে। তাছাড়া ভারতের পরম মিত্র রাশিয়া দুইপক্ষের আলোচনার মাধ্যম হিসাবে কাজ করলেও কোন ফলাফল আসেনি। বলা চীনের চাপে চেপ্টা ভারত!

Leave A Reply

Your email address will not be published.