করোনা আক্রান্ত মেয়র মাস্ক ছাড়াই বিভিন্ন অনুষ্ঠানে

0 10

 

মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী করোনা সমালোচনার সম্মুখীন। উপসর্গ থাকার কারনে কর্ণ নমুনা টেস্ট করা হয়। নমুনা টেস্ট দেওয়া হয় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবে। তিনি এমত অবস্থায় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগ দেন এবং বিপাকে পড়তে হয় তাকে। মেয়রের আচরণে হতবাক সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তারাও। করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ার পরপরই সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী পক্ষ থেকে বিভিন্ন উপায় সচেতনামূলক প্রচারণা চালানো হয়।  মাইকযোগে এবং নিউজপেপারেই ছিল প্রধান। কিন্তু সবাইকে সচেতন থাকতে বলায় এবার নিজেই তা লংঘন করে এবং নাগরিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের সম্মুখীন হয় পড়ে মেয়র। নমুনা জমা জমা দেওয়ার পর স্বাস্থ্যবিধি থেকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার জন্য স্বাস্থ্য বিভাগ নির্দেশনা দেয়া হয়। তবে নির্দেশনা দেয়া হলো মানেননি মেয়র মহোদয়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে বৃহস্পতিবার সকালে করোনা শনাক্ত নমুনা জমা দেওয়ার পরেও তিনি এক মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন এ অংশগ্রহণ করেন। আবার বিকেলে নগর ভবনের উন্নয়নমূলক কাজে একটি সভায় অংশ নেন । 

যেখানে নগর ভবন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ শতাধিক ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন । তবে এসব অনুষ্ঠানে মানা হয়নি স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব বজায় এবং মেয়য়ের মুখের মাক্স ছিলনা। বৃহস্পতিবার রাতে সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমানের

মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী করোনা সমালোচনার সম্মুখীন। উপসর্গ থাকার কারণে কর্ণ নমুনা টেস্ট করা হয়। নমুনা টেস্ট দেওয়া হয় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবে। তিনি এমত অবস্থায় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগ দেন এবং বিপাকে পড়তে হয় তাকে। মেয়রের আচরণে হতবাক সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তারাও। করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ার পরপরই সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী পক্ষ থেকে বিভিন্ন উপায় সচেতনামূলক প্রচারণা চালানো হয়।  মাইকযোগে এবং নিউজপেপারেই ছিল প্রধান। কিন্তু সবাইকে সচেতন থাকতে বলায় এবার নিজেই তা লংঘন করে এবং নাগরিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের সম্মুখীন হয় পড়ে মেয়র। নমুনা জমা জমা দেওয়ার পর স্বাস্থ্যবিধি থেকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার জন্য স্বাস্থ্য বিভাগ নির্দেশনা দেয়া হয়। তবে নির্দেশনা দেয়া হলো মানেননি মেয়র মহোদয়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে বৃহস্পতিবার সকালে করোনা শনাক্ত নমুনা জমা দেওয়ার পরেও তিনি এক মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন এ অংশগ্রহণ করেন। আবার বিকেলে নগর ভবনের উন্নয়নমূলক কাজে একটি সভায় অংশ নেন । 

যেখানে নগর ভবন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ শতাধিক ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন । তবে এসব অনুষ্ঠানে মানা হয়নি স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব বজায় এবং মেয়য়ের মুখের মাক্স ছিলনা। বৃহস্পতিবার রাতে সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমানের করোনা পজিটিভ খবর শোনার পরে আতঙ্কে রয়েছেন কর্মকর্তারা এবং নগরবাসী। নগরবাসী মারাত্মক তীব্র নিন্দা জানায় এমন অদ্ভুত আচরণে। মানুষ এতোটাই আতঙ্কে রয়েছেন যে কিছু লোক নিজেই হোম কোয়ারান্টিনে থাকার চলে গেছেন। সিলেট কর্পোরেশন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিধায়ক রায় চৌধুরী, নিউরো প্রধান প্রকৌশলীর করো না পজিটিভ শুনে আমি নিজেও আতঙ্কে রয়েছি। সিসিকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে কেবল আমারই করানো হয়নি।তবে এই অবস্থায় অফিস বন্ধ করা ঠিক হবে না, তাতে নগর ভবন এর কার্যক্রম ব্যাহত হবে। নমুনা জমা দেওয়ার পর কোয়ারান্টিনে না গিয়ে মেয়র প্রধান প্রকৌশলী বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। এ প্রসঙ্গে বিধায়ক রায় চৌধুরী বলেন,এ প্রসঙ্গে বলা আমার জন্য বিব্রতকর। স্বাস্থ্যবিধি সবার জন্য এবং তা সমানভাবে সবার মানা উচিত। এ ব্যাপারে সিলেটের সিভিল সার্জন ডাক্তার প্রেমানন্দ মন্ডল বলেন, যমুনা জমা দেওয়ার পর থেকে অবশ্যই এমনকি কারো কোন উপসর্গ দেখা দিলেও আমরা কোয়ারেন্টাইনের থাকার কথা বলে আসছি। সকলেরই তা মানা উচিত কিন্তু অনেকেই তা মানছে না। এ কারণেই করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী জানা যায় দু’দিন আগে জ্বর সর্দি হয় সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী এবং সিটি প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান। করোনা উপসর্গ দেখা দেওয়াতে নমুনা জমা দেওয়া হয় এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ পিসিআর ল্যাবে। বৃহস্পতিবার রাতেই রিপোর্ট দেওয়া হয় তাদের দুজনেরই করোনা পজিটিভ আসে। সিসিক সূত্রে জানা যায় করোনার নমুনা জমা দিয়েই সরাসরি নগরভবনে আসে দৈনন্দিন কাজ করার জন্য মেয়র ও প্রধান প্রকৌশলী। আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের আহবানে দুপুরের মধ্যাহ্নভোজের অংশনেন। এখানে উপস্থিত ছিলেন সিটি কর্পোরেশনের মোহাম্মদ গ্রুপের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমেদ সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের উন্নয়ন প্রকল্প’ উপস্থাপন অনুষ্ঠানে অংশ নেন উন্নয়ন প্রকল্প’ উপস্থাপন অনুষ্ঠানে অংশ নেন বিকেলে। ওই অনুষ্ঠানে সিসিক কাউন্সিলর রেজওয়ান আহমদ, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিধায়ক রায় চৌধুরী, সচিব ফাহিমা ইয়াসমিন, নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল আজিজ, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আ.ন.ম. মনছুফ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. হানিফুর রহমান, আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রমজানুল হক নিহাদ, প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ও চীফ মার্কেটিং অফিসার তানভীরুল ইসলামসহ দুই প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা অংশ নেন। সবার মন্তব্য করা কি উচিত হয়নি মেয়র এর অনুষ্ঠানে যোগদান করার। আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ বৃহস্পতিবার দুপুরে আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেয়। আসাদ উদ্দিন আহমদ শুক্রবার রাতে বলেন, “আমি জানতাম না তিনি (মেয়র) করোনা পরীক্ষার নমুনা জমা দিয়ে এসেছেন। নমুনা দিয়ে এলে তার অবশ্যই এসব অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া উচিত হয়নি। এখন আমাদের সবাইকে তিনি ঝুঁকিতে ফেলে দিলেন।”তিনি আরও বলেন, “দায়িত্বশীল মানুষরা যদি সচেতন না হন, তাহলে সাধারণ জনগণ কিভাবে সচেতন হবে?”  সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ও প্রধান প্রকৌশলী নুর আজিজুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তারা এড়িয়ে যায়। মেয়র ও প্রকৌশলী কে কল করা হলে তারা  দুজনেই কলটি রিসিভ না করে বিষয় টা এড়িয়ে যান। এদিকে শুক্রবার রাতে করোনা পজিটিভ সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ও প্রকৌশলী নুর আজিজুর রহমান কে নগরের মাউন্ট এডোরা হাসপাতাল আখালিয়া শাখায় তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেছেন। এসময় তাদের হার্টের ইসিজি সহ বিভিন্ন পরীক্ষাও করা হয়। 

তথ্যটি নিশ্চিত করেন হাসপাতালটির ম্যানেজার জর্জেস।

পজিটিভ খবর শোনার পরে আতঙ্কে রয়েছেন কর্মকর্তারা এবং নগরবাসী। নগরবাসী মারাত্মক তীব্র নিন্দা জানায় এমন অদ্ভুত আচরণে। মানুষ এতোটাই আতঙ্কে রয়েছেন যে কিছু লোক নিজেই হোম কোয়ারান্টিনে থাকার চলে গেছেন। সিলেট কর্পোরেশন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিধায়ক রায় চৌধুরী, নিউরো প্রধান প্রকৌশলীর করো না পজিটিভ শুনে আমি নিজেও আতঙ্কে রয়েছি। সিসিকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে কেবল আমারই করানো হয়নি।তবে এই অবস্থায় অফিস বন্ধ করা ঠিক হবে না, তাতে নগর ভবন এর কার্যক্রম ব্যাহত হবে। নমুনা জমা দেওয়ার পর কোয়ারান্টিনে না গিয়ে মেয়র প্রধান প্রকৌশলী বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। এ প্রসঙ্গে বিধায়ক রায় চৌধুরী বলেন,এ প্রসঙ্গে বলা আমার জন্য বিব্রতকর। স্বাস্থ্যবিধি সবার জন্য এবং তা সমানভাবে সবার মানা উচিত। এ ব্যাপারে সিলেটের সিভিল সার্জন ডাক্তার প্রেমানন্দ মন্ডল বলেন, যমুনা জমা দেওয়ার পর থেকে অবশ্যই এমনকি কারো কোন উপসর্গ দেখা দিলেও আমরা কোয়ারেন্টাইনের থাকার কথা বলে আসছি। সকলেরই তা মানা উচিত কিন্তু অনেকেই তা মানছে না। এ কারণেই করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী জানা যায় দু’দিন আগে জ্বর সর্দি হয় সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী এবং সিটি প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান। করোনা উপসর্গ দেখা দেওয়াতে নমুনা জমা দেওয়া হয় এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ পিসিআর ল্যাবে। বৃহস্পতিবার রাতেই রিপোর্ট দেওয়া হয় তাদের দুজনেরই করোনা পজিটিভ আসে। সিসিক সূত্রে জানা যায় করোনার নমুনা জমা দিয়েই সরাসরি নগরভবনে আসে দৈনন্দিন কাজ করার জন্য মেয়র ও প্রধান প্রকৌশলী। আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের আহবানে দুপুরের মধ্যাহ্নভোজের অংশনেন। এখানে উপস্থিত ছিলেন সিটি কর্পোরেশনের মোহাম্মদ গ্রুপের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমেদ সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের উন্নয়ন প্রকল্প’ উপস্থাপন অনুষ্ঠানে অংশ নেন উন্নয়ন প্রকল্প’ উপস্থাপন অনুষ্ঠানে অংশ নেন বিকেলে। ওই অনুষ্ঠানে সিসিক কাউন্সিলর রেজওয়ান আহমদ, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিধায়ক রায় চৌধুরী, সচিব ফাহিমা ইয়াসমিন, নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল আজিজ, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আ.ন.ম. মনছুফ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. হানিফুর রহমান, আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রমজানুল হক নিহাদ, প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ও চীফ মার্কেটিং অফিসার তানভীরুল ইসলামসহ দুই প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা অংশ নেন। সবার মন্তব্য করা কি উচিত হয়নি মেয়র এর অনুষ্ঠানে যোগদান করার। আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ বৃহস্পতিবার দুপুরে আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেয়। আসাদ উদ্দিন আহমদ শুক্রবার রাতে বলেন, “আমি জানতাম না তিনি (মেয়র) করোনা পরীক্ষার নমুনা জমা দিয়ে এসেছেন। নমুনা দিয়ে এলে তার অবশ্যই এসব অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া উচিত হয়নি। এখন আমাদের সবাইকে তিনি ঝুঁকিতে ফেলে দিলেন।”তিনি আরও বলেন, “দায়িত্বশীল মানুষরা যদি সচেতন না হন, তাহলে সাধারণ জনগণ কিভাবে সচেতন হবে?”  সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ও প্রধান প্রকৌশলী নুর আজিজুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তারা এড়িয়ে যায়। মেয়র ও প্রকৌশলী কে কল করা হলে তারা  দুজনেই কলটি রিসিভ না করে বিষয় টা এড়িয়ে যান। এদিকে শুক্রবার রাতে করোনা পজিটিভ সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ও প্রকৌশলী নুর আজিজুর রহমান কে নগরের মাউন্ট এডোরা হাসপাতাল আখালিয়া শাখায় তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেছেন। এসময় তাদের হার্টের ইসিজি সহ বিভিন্ন পরীক্ষাও করা হয়। 

তথ্যটি নিশ্চিত করেন হাসপাতালটির ম্যানেজার জর্জেস।

Leave A Reply

Your email address will not be published.