৫হাজার রোগীর চিকিৎসা হবে ঢাকা মেডিকেলেইঃ শেখ হাসিনা

0 16

প্রধানমন্ত্রী’র ডিজিটাল বাস্তবায়নে অনেকটা এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন দেশ। যেনো চারিদিকে সবকিছু নতুনত্তের ছোঁয়া। দিন দিন আমাদের দেশ সত্যিই উন্নয়নশীল দেশে পরিনিত হয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন,”ঢাকা মেডিকেল কলেজ ৫হাজার রোগীর চিকিৎসার জন্য প্রস্তুত করা হবে। ঢাকা মেডিকেল কলেজকেও আমরা খুব সুন্দরভাবে করতে চাই। কারন এই একটাই জাতীয় প্রতিষ্ঠান, যাতে সারা বাংলাদেশ থেকে মানুষ চিকিৎসার জন্য আসেন।”  বুধবার ২সেপ্টেম্বর, ২৩বঙ্গবন্ধু এভিনিউ আওয়ামীলীগের কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমণ্ডলীর আলোচনা সভায় একথা বলে শেখ হাসিনা।

জননেত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়াল সভায় যোগ দেন গনভবন থেকে। তিনি আরও বলেন, “ ঢাকা মেডিকেলকে আমরা নতুনভাবে গড়তে তুলতে চাই। পুরনো ঐতিহ্য কিছুটা আমরা ধরে রাখতে পারি সামনের ডিজাইন অনুযায়ী। কিন্তু ভেতরে সম্পূর্ণ আধুনিক একটা হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ আমরা নির্মাণ করব। ইতোমধ্যে সেই প্ল্যান তৈরি করা আছে। সেটার কাজ যাতে দ্রুত হয় তার ব্যবস্থা আমরা করতে চাই।”

এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিকে নিয়েও তার পরিকল্পনার কথা জানান। টিএসসি র নতুন করনের পরিকল্পনা এভাবে তুলে ধরেন, “আমি আগেও বলেছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে চাই। সম্পূর্ণ আধুনিকভাবে টিএসসি প্রতিষ্ঠা করব। এটা ছাত্র-শিক্ষকদের একটা মিলন কেন্দ্র, যাতে করে এটাকে আরও সুন্দরভাবে তৈরি করব সেই নির্দেশ আমি দিয়েছি। সেভাবে নতুন করে ডিজাইন ও প্ল্যান করে করব। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির সঙ্গে কথা বলেছিলাম, আমি জানি বিশ্ববিদ্যালয় এটা করতে পারবে না। কাজেই এটার জন্য টাকা-পয়সা যা খরচা লাগে।” 

এদিকে আলোচনার শুরুতে প্রধানমন্ত্রী’কে উদ্দেশ্য করে আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন,আমরা আমাদের সভাপতির একটা গাইডলাইন চাই। আমরা নিজেরা কিছু বিষয় আলোচনা করেছি। এর মধ্যে রয়েছে- আমাদের যেসব জেলা, মহানগর ও সহযোগী সংগঠনের সম্মেলন হয়েছে, তাদের আগামী ১৫ তারিখের মধ্যে আপনার অফিসে (সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়, ধানমণ্ডি) পূর্ণাঙ্গ কমিটি জমা দেয়ার নির্দেশনা দিয়েছি।

“আরেকটি হল- এ সময়ের মধ্যে প্রত্যেক সম্পাদককে চেয়ারম্যানের সঙ্গে পরামর্শ করে ৩৫ সদস্যবিশিষ্ট উপকমিটি গঠনের রিকমন্ডেশন তৈরি করেছি, সিদ্ধান্ত নেয়ার মালিক আপনি।” তিনি আরও বলেন, “আর আমরা সীমিত আকারে সাংগঠনিক কর্মসূচি এখন থেকে শুরু করে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত পালন করার জন্য একটি নির্দেশনা দিচ্ছি। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর আপনার জন্মদিন। এটা আমরা খুব সীমিত আকারে পালন করব। এটা প্রতি বছরই করে থাকি। আপনি না বললেও করব।” 

জবাবে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, “আমার জন্মদিন পালনের প্রস্তাব আমি গ্রহণ করছি না। বাকিগুলোর মধ্যে সাব-কমিটিগুলো পূর্ণাঙ্গ করার সিদ্ধান্ত খুবই ভালো। এটা করা উচিত। যাতে সাব-কমিটিগুলো বসতে পারে। বিষয়ভিত্তিক সেমিনার করা, আলোচনা করা। আগামী দিনে আমাদের ভবিষ্যত কর্মসূচি সেগুলো ঠিক করা। সাব-কমিটিগুলো এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে পারবে।” 

আলোচনা সভা’টির সভাপতিত্ব পরিচালনা করেন সাধারন সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। 

সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সভাপতিত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য মাহবুবউল আলম হানিফ, দীপু মনি, আফম বাহাউদ্দিন নাছিম, বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, আফজাল হোসেন, অসীম কুমার উকিল, ফরিদুন্নাহার লাইলী, বিপ্লব বড়ুয়া, শাম্মী আহমেদ, ওয়াসিকা আয়েশা প্রমুখ।

Leave A Reply

Your email address will not be published.