যুগান্তকারী আবিষ্কার: হাওয়াতে চলবে গাড়ি

যুগান্তকারী আবিষ্কার: হাওয়াতেই নাকি ৪০০ কিমি চলবে এই গাড়ি

0 23

প্রত্যেকদিন যেভাবে  পেট্রল-ডিজেলের ভান্ডার শুন্য হয়ে যাচ্ছে, তাতে এক সময় জ্বালানি হিসাবে  অন্য শক্তিকে বেছে নিতে হবে সবার। হয়তো অনেকে এত অন্য শক্তি কাজে লাগাতে শুর করেছে। আপনি একটু লক্ষ করলে দেখবেন,  বিশ্বের বড়বড় গাড়ি প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলি ব্যাটারিচালিত শক্তির ব্যবহারের দিকে ঝুকছে! মানুষ বিকল্প খুজতে খুজতে নতুন কিছু আবিষ্কার করে বসে। “হাইড্রজেন কার” তেমনই আবিষ্কার।

এবার একধাপ এগিয়ে বাজারে আসতে চলেছে ‘হাওয়া গাড়ি’ অর্থাৎ ‘হাইড্রোজেন কার’!

বিশ্বাস না হবারই কথা !  কি ভাবছেন, হাওয়াতে আবার গাড়ি কিভাবে চলে? হ্যাঁ, এটাই সত্য এবং আপনি একদম সত্য কথাই শুনেছেন। অশ্মীভূত জ্বালানি থেকে পরিত্রাণ পাবার এও একটা উপায়৷ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কালে এই হাইড্রোজেন খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের মতো প্রতিদ্বন্দ্বীদের ছাড়িয়ে যাবে৷ এখনই ‘তেল’ ভরা যায়, তবে গাড়িটি কিনতে পাওয়া যাবে আগামী বছর অর্থাৎ ২০২১ থেকে৷ গাড়িটির দাম সাধারন গাড়ির দ্বিগুন। গাড়িটির দাম ৬০হাজার ইউরো একটা সাধারন গাড়ির দামের প্রায় দ্বিগুণ।

‘টোটাল’ তেলের কোম্পানির  মানুয়েল ফুক্স বলেন, ‘‘হাইড্রোজেন কার।  হাইড্রোজেনে চলে এমন গাড়ি ইতিমধ্যে অফিস কার হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।  কেননা তার এতটাই ব্যস্ত থাকতে হয় যে, তার জ্বালানি নেওয়ার সময় কম। জ্বলানি নেওয়ার সময় যেমনি কম  তেমনই একবার ট্যাংক ভরলে বহুদূর যাওয়া যায়৷ এছাড়া অফিস কার মানেই প্রাইভেট কাস্টমাররাও শীঘ্রই সেদিকে ঝুঁকবেন৷”

আপনি হয়তো শুনলে অবাক হবেন, গাড়ির একজস্টে কোনও ধোঁয়া নেই। শুধু ফোঁটা ফোঁটা পানি ঝরে৷ আরো অবাক হবার মত বিষয় হলো, গাড়ির প্রায় কোনও আওয়াজ নেই৷ একবার ট্যাংক ভরলে চারশো কিলোমিটার যেতে পারে৷ এই যাবৎ সারা দেশে খুব বেশি হাইড্রোজেন ভরার কেন্দ্র নেই৷ আর দশ বছরের মধ্যে দেশজোড়া একটা নেট তৈরি হয়ে যাওয়ার কথা৷ এভাবেই হয়তো কোন একদিন হাইড্রোজেন  খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসকে পিছনে ফেলে দিবে৷

‘লিন্ডে’ কোম্পানির টিম হাইস্টারকাম্প বলেন, ‘‘আমরা যদি ধরে নেই যে, মাঝারি বা দীর্ঘমেয়াদি সূত্রে আমরা নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে হাইড্রোজেন সৃষ্টি করতে পারব, তাহলে আমরা অশ্মীভূত জ্বালানি আমদানি থেকে অনেকটা সরে আসতে পারব৷”

Leave A Reply

Your email address will not be published.